হ্যা লো......। আমি রিজভী নাভিন। আজ আপনাদের জন্য এই পোস্টটি সাজিয়েছি ।অনুচ্ছেদটি লিখতে বেশ কিছুদিন সময় লেগেছে। মূলত সাহিত্য সাধনাকে কেন্দ্র করে কবি,সাহিত্যিক,লেখক,চিন্তাবিদগণ লিখে গেছেন অসংখ্য গল্প, কবিতা,উপন্যাস, রচনা আরো কত কি। তাদের একাগ্রতায় আমরা পেয়েছি নতুন ভাবনার জগত, নতুন কল্পনা শক্তি যা দিয়ে নিজেদের চলার পথকে আরও দিপ্তিময় ও আলোকময় আর নিজেদের ভাবনার পৃথিবীটাকে আমরা সর্বোচ্চ ভাবে সাঁজাতে চেষ্টা করি । আজকের অনুচ্ছেদটা আমি সাজিয়েছি আমার পড়া কিছু সেরা দেশী ছোট গল্প দিয়ে। এখানে সুধুমাত্র লেখক ও গল্পের সংখিপ্ত সারাংশ তুলে ধরা হয়েছে। আর কিছু বানান ভুল থাকতে পারে এজন্য দুঃখিত। আশা করি ভাল লাগবে । ১০/মাস্টার মশাই প্রচেত গুপ্ত । তার জন্ম ১৪ অক্টোবর ১৯৬২ সালে কলকাতায় । পড়া শুনার পাশাপাশি খুব অল্প বয়স থেকেয় শুরু হয় তার সাহিত্য চর্চা । মাত্র ১২ বছর বয়সে আনন্দ মেলায় প্রকাশিত হয় তার প্রথম গল্প ও ২০০৪ সালে তার প্রথম উপন্যাস "আমার যা আছে" । তাছাড়াও তিনি লিখে গেছেন বহু গল্প ও উপন্যাস । তার মধ্য বিখ্যাত আশ্চর্য পুকুর, দেরি হয়ে গেছে, রাজকন্যা,দেখা হবে, জলে আঁকা ইত্যাদি । মাস্টার মশ...
সকাল প্রায় ১১ তা বেজে গেছে । শেষ রাতে দেরিতে গুমিয়েছিলাম তাই ঘুমটা ভাঙলো অনেক দেরিতে । তাও ঘুমটা ভাঙেছে মূলত একটা স্যাক্সোফোনের ধ্বনিতে। পাশের ফ্লাটের কেও একজন বাজাচ্ছে, আমাদের ফ্লাট গুলো এক সারিতে হওয়ায় তাকে দেখতে পাইনি। গভীর, নিখুঁত্ আর অনেক নীরবতার মিশ্রণে সুরটা ডেওয়ের মত ভেসে বেড়াচ্ছে । তার সৃষ্ট সুরের অর্থটা এমন হতে পারে , পৃথিবীর মাঠ থেকে আর কত দিন আলাদা থাকবে চার দেওয়াল। আজ অনেক দিন হলো, বাসায় বসে আছি। জানালা দিয়ে মানুষ শূন্য মেট্রো আর বাস লাইনটা দেখা যায় । মাঝে মাঝে একটা, দুটো ছোট ছোট গাড়ি যাচ্ছে । এই অবিশ্বাস্য ব্যবধানে , একটা গান মনে পরে যায়, চাইলে তুমি হারিয়ে যাও রাজাহীন কোন রাজ্যে জনশূন্য কোন প্রাচ্যে। মানুষ নেই এখানে অথবা পৃথিবীর রাস্তা ফাঁকা, শুধু সি সিগার্ল আর কবুতর ছাড়া একটা পাখিও নেই , । অবশ্য ইউরোপে এতো পাখির দেখা মেলে না ,আজকাল কবুতর গুলোকেও দেখতে পায় না। রিজভী নাভিন
Comments
Post a Comment
thanks for your valuable comment.